Jobanডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে পেঁপে

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে পেঁপে

বর্তমান সময়ে ডায়াবেটিস বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা। সম্পূর্ণ নিরাময় হওয়ার মত চিকিৎসা না থাকায় রোগীরা ভরসা করেন নিয়ন্ত্রণের উপর। এর ম্যানেজমেন্ট একটি কৌশলী কাজ। প্রতিটি ধাপেই আপনাকে তা ম্যানেজ করতে হবে। কোনটায় রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাবে আপনি জানেন না। ডায়াবেটিস এখন বিশ্বের সবথেকে বড় স্বাস্থ্যের সমস্যা। ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশন (হু)-এৱ মতে, ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বের সপ্তম মারণ রোগে পরিণত হবে ডায়াবেটিস। বিজ্ঞানীরা এখনও এর সঙ্গে যুদ্ধের পথ খুঁজছেন। তবে চাইলেই কিন্তু একে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। ওষুধ ও ঠিকমতো ডায়েটে নিয়ন্ত্রণে রাখুন রক্তে শর্করার মাত্রা। ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য পেঁপে আদর্শ। এতে প্রচুর অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস যেমন, বেটা ক্যারোটিন, ভিটামিন সি আছে। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

ম্যাক্রেবায়োটিক নিউট্রিশনিস্ট ও হেল্থ প্র্যাকটিশনাররা বলেন, এই ফলে উপস্থিত প্রাকৃতিক অ্যান্টি অক্সিডেন্টস ডায়াবেটিসের জন্য উপকারি। ডায়াবেটিস থেকে হার্টের রোগ, নার্ভের রোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। পেঁপে কোষের ক্ষতি হওয়াকে আটকায়। কোলেস্টেরলের মাত্রা বজায় রাখে কারণ এতে হাই ফাইবার রয়েছে। ফাইবার ভাঙতে ও হজম হতে অনেকটা সময় লাগে। ফলে গ্লুকোজ হুট করে বেরিয়ে যায় না। পেঁপের গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স ৫৫ -এর উপরে। ফলে ডায়েটে পেঁপে মাস্ট। এটি লো গ্লাইসেমিক ফলের অন্তর্গত। মরিসাসের সেন্টার অফ এক্সেলেন্স ফর বায়োমেডিক্যাল অ্যান্ড বায়োমেট্রিক রিসার্চ জানাচ্ছে গ্রিন টি এবং ফার্মেন্টেড পেঁপে একসাথে ডায়াবেটিস রোধে কাজ করে। তবে বাজার থেকে টাটকা পেঁপে কিনুন। আর পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করুন।